সংস্করণ
Bangla

মিত্র চান, খুঁজে দেবে টাস্কমিত্র

21st Nov 2015
Add to
Shares
0
Comments
Share This
Add to
Shares
0
Comments
Share

নতুন বছরের সন্ধ্যেটা কাটাতে চান হুল্লোড় করে। বাড়িতে ডেকে নিতে চান প্রিয় বন্ধুদের। খাবারের সঙ্গে যেখানে থাকবে পানাহারের ব্যবস্থা। রাত বারোটা বাজলে হ্যাপি নিউ ইয়ার বলে গলে মেলাতে চান সবাই। কিন্তু ইচ্ছে থাকলেই উপায় নেই। স্বামী-স্ত্রীর নিউক্লিয়ার সংসারে বাড়িতে হুল্লোড় করার মতো ঝক্কি পোহাতে পারবেন না আপনি। কায়িক পরিশ্রমের সঙ্গে এতে প্রয়োজন একজন যোগ্য সঙ্গীর। রাঁধার সঙ্গে চুল বাঁধার কাজটাও করতে পারবে। তাই মনের অনুষ্ঠান থেকে যাই মনেই। বাস্তবের মুখ দেখে না। তবে এবার সেরকম হওয়ার নয়। এসে গেছে টাস্কমিত্র। গ্রাহকের প্রয়োজন অনুসারে মিত্র সরবরাহই এদের কাজ। মোদ্দা কথা, গ্রাহকের যে কোনও কাজে সহযোগী পাঠানোর ব্যবস্থা করে টাস্কমিত্র।


image


ঠিক কী ধরনের কাজের মিত্র পাঠায় টাস্কমিত্র। সংস্থা জানাচ্ছে টাস্কমিত্রের বন্ধুরা সাইকেল চালানোর প্রশিক্ষক থেকে পরিষ্কার হাতের লেখার গাইড হিসাবে কাজ করেন। গ্রাহকের প্রয়োজনে এরা বাগান দেখভালের দায়িত্ব সামলান। তবে এরা কেউই আনকোরা নন। এর নিজ নিজ ক্ষেত্রে সবাই দক্ষ। গ্রাহককে ব্যক্তিগত প্রয়োজনে সাহায্য করতে সর্বদা প্রস্তুত‌। ইতিমধ্যে সংস্থার এই অভিনব উদ্যোগ সাড়া ফেলে দিয়েছে গ্রাহকদের মধ্যে। ৪ লাখ টাকা দিয়ে শুরু হলেও ব্যবসা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আরও ১০ লাখ টাকা মূলধন জোগাতে হয়েছে কোম্পানিকে। মূলত এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের প্রযুক্তিগত উন্নয়নের জন্য সংস্থার সহযোগী প্রতিষ্ঠাতারা এই পুঁজি ব্যবসায় খাটিয়েছেন।

বর্তমানে বিনামূল্যে টাস্কমিত্রের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারেন গ্রাহকেরা। তবে গ্রাহক সাহায্যের ধরন দেখে মূল্য ধার্যের কথা ভাবছে টাস্কমিত্র। যেখানের মাসিক চাঁদারও পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থার। গৌতম গোখলে ও উসমা খাবারিয়ার এই কোম্পানি ইতিমধ্যে ৬ হাজার গ্রাহকের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হয়েছে। গ্রাহকের সংখ্যা প্রতিদিন বেড়েই চলেছে। সংস্থার পরিসংখ্যান বলছে গ্রাহক সংখ্যা ২৭ হাজার ছুঁয়েছে। যাদের মধ্যে ৩০ শতাংশ গ্রাহক সংস্থার সাইটে আবার লগ ইন করেছে। সংস্থার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা গৌতম গোখলে জানান, ২০১‌৬ সালের মধ্যে গ্রাহক সংখ্যা আড়াই লাখে নিয়ে যেতে চান তাঁরা। বর্তমানে মুম্বইতে সংস্থার কাজকর্ম সীমাবদ্ধ রয়েছে। তবে পরবর্তী কালে পুণে ও বেঙ্গালুরুতে ব্যবসা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। ওয়েব নির্ভর প্ল্যাটফর্ম হলেও ভবিষ্যতে টাস্কমিত্রের মোবাইল অ্যাপ গড়তে চায় কোম্পানি। ভিন্ন ভাষা-ভাষির কাছে টাস্কমিত্র-র জনপ্রিয়তা বাড়াতে বিভিন্ন ভাষায় ইউজার ইন্টারফেস গড়তে চায় তারা।

এদিকে টাস্কমিত্রকে প্রতিযোগিতার মুখে ফেলতে কোমর বাঁধছে বেশ কয়েকটি কোম্পানি। এদের মধ্যে আরবান ক্ল্যাপ, দোমিন্ট, টাইম সেভারেজ, মিস্টার রাইট-এর মতো কোম্পানি সামনের সারিতে রয়েছে। তবে এদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামতে অসুবিধা‌ নেই টাস্কমিত্র-র। এবিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সংস্থার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বলছেন, প্রতিযোগিতাই জীবনের ধর্ম। অন্যথায় আমরা সবাই যোগী হতাম।

লেখক — তৌসিফ আলম

অনুবাদ — তন্ময় মুখোপাধ্যা য়

Add to
Shares
0
Comments
Share This
Add to
Shares
0
Comments
Share
Report an issue
Authors

Related Tags