সংস্করণ
Bangla

"ফ্লিপকার্ট বাঁচাবে ২০০ মিলিয়ন ডলার"

YS Bengali
15th Nov 2016
Add to
Shares
3
Comments
Share This
Add to
Shares
3
Comments
Share

বার্ন রেট হ্রাসের সিদ্ধান্ত নিল ফ্লিপকার্ট। ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসের ভিতর ফ্লিপকার্ট তাদের বার্ন রেট অনেকটাই হ্রাস করতে পারবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, এর ফলে ১৫০ থেকে ২০০ মিলিয়ন ডলার সাশ্রয় করা যা্বে। সংস্থা সূত্রের খবর, এর পাশাপাশি ফ্লিপকার্ট এখন নতুন বিনিয়োগকারীর সন্ধানে রয়েছে।

image


এ ব্যাপারে সংস্থার এক কর্তা বলেছেন, ফ্লিপকার্টের বাড়বৃদ্ধির জন্যে কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তার ভিতর রয়েছে নানা খাতে ব্যয়ের পরিমাণ কমিয়ে ফেলা। এর পাশাপাশি সংস্থাকে এমনভাবে পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে অতিরিক্ত আয়ের পথ খুলে যায়। ফ্লিপকার্টের লজিস্টিক আর্ম ই-কার্ট ও বিজ্ঞাপন থেকেও সং‌স্থা রাজস্ব বাড়ানোর ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ফ্লিপকার্টকে বিনিয়োগকারীদের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য করার প্রক্রিয়াও আরম্ভ হয়েছে। সে কারণেই এই নতুন উদ্যোগগুলি নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, বিনিয়োগ টানতে ফ্লিপকার্ট এখন ওয়ালমার্টের সঙ্গে আলোচনায় বসবে বলেও খবর। ওয়ালমার্টের কাছ থেকে ফ্লিপকার্ট আশা করছে ১ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ। দুবছর আগে ক্রেতা অ্যাকুইজিশন বাবদ ফ্লিপকার্টের ব্যয় আচমকা বেড়ে গিয়ে্ছিল। সেই সময়ই ফ্লিপকার্টের বার্ন রেট সর্বাধিক হয়ে দাঁড়ায়। বর্তমানে প্রতি মাসে ফ্লিপকার্টের বার্ন রেট ৪০ থেকে ৫০ মিলিয়ন ডলার। তবে চলতি বছরের গোড়া থেকে প্রতি তিন মাস অন্তর ফ্লিপকার্ট তার বার্ন রেট ৫ থেকে ১০ শতাংশ হারে কমানোর চেষ্টা করছে। এভাবে কাটাতে চাইছে সমস্যাটি। তবে এ বিষয়ে সংস্থার তরফে কোন কর্তা মুখ খুলতে চাননি। বিনি বনশাল ফ্লিপকার্টের চিফ এক্সিকিউটিভ অফি্সার হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পরেপরেই সংস্থায় বলবার মতো কিছু পরিবর্তন এসেছে। বিশেষত, ক্রেতাদের অভিজ্ঞতাকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দে্ওয়া হচ্ছে।

গত বছর পর্যন্ত বার্ন রেট যা দাঁড়িয়েছিল, তাতে সংস্থার অ্যাকাউন্টে টাকা আমদানির হাল ছিল নেতিবাচক। এরপরেই ফ্লিপকার্ট প্রতিপক্ষ সংস্থাগুলিকে বাজার থেকে হঠিয়ে নিজেদের বাড়বৃদ্ধির কাজ শুরু করে। বলাবাহুল্য, নতুন করে বিনিয়োগকারীদের টানতে এটা ছিল কার্যকর পদক্ষেপ। বিশেষত, ই-কমার্স বিনিয়োগের ক্ষেত্রে।

ফ্লিপকার্টের তরফ থেকে এও জানানো হয়েছে, তারা মার্কেটিং ও লজিস্টিক খাতে প্রতিপক্ষ সংস্থাগুলির তুলনায় কম খরচ করে থাকে। তা সত্ত্বেও পার্বনের মরসুমগুলিতে সংস্থা উপরের দিকেই থাকছে। এ ব্যাপারে একটি তুলনামূলক খতিয়ান পেশ করেছে ফ্লিপকার্ট। পার্বনের মরসুমে আমাজন ১৫ মিলিয়ন, স্ন্যাপডিল ১১ মিলিয়ন ইউনিট বিক্রিবাট্টা করলেও চলতি বছরেই ফ্লিপকার্ট ১৫.৫ মিলিয়ন বিক্রিবাট্টা করতে পেরেছে। যদিও সেইসময় স্ন্যাপডিল বিক্রি বাড়ানোর জন্যে ২০০ কোটি টাকা বিজ্ঞাপন খাতে খরচ করেছিল। আর আমাজন বিজ্ঞাপন খাতে খরচ করেছিল ২৫০ কোটি টাকা। পার্বনের মরসুমে বিজ্ঞাপন বাবদ ফ্লিপকার্ড কী পরিমাণ টাকা খরচ করেছে, তা অবশ্য জানা যায়নি। তবে সংস্থার সিইও বনশাল কিছুদিন আগেই বলেছিলেন, অক্টোবর মাসে আমাজন ইন্ডিয়ার থেকে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ বেশি ব্যবসা করেছে ফ্লিপকার্ড।

Add to
Shares
3
Comments
Share This
Add to
Shares
3
Comments
Share
Report an issue
Authors

Related Tags