সংস্করণ
Bangla

ভোজন রসিক দম্পতির ভাবনায় এক আকাশের নীচে মোগলাই থেকে চাইনিজ

Anwesha Tarafdar
2nd Apr 2016
Add to
Shares
0
Comments
Share This
Add to
Shares
0
Comments
Share

বনেদিয়ানা আর ঐতিহ্য উত্তরের আভিজাত্য। সেই আভিজাত্যেই বিশ্বায়নের ছোঁয়া। আদি ,কৃত্তিম সেই শিকড়ে মোঘল আফগান চিনাদের আনুপ্রবেশ ঘটেছে। সেই সবই এবার এক ছাঁদের তলায় , এক আকাশের নীচে। এক আকাশের নীচেই চিনা থেকে মোগলাই খাবারের রকমারি সম্ভার। আর খাবারের কথা বলতেই মনে পড়ে যায় ‘খাবার আজব খাওয়া,ভোজ কয় যাহারে’। তবে পেট রসিকদের শুধু ভোজ হলে চলবে কেন? হতে হবে রীতিমতো ভূরিভোজের আসর। খোলা আকাশের নীচে একান্তে কিছুটা সময় । আর সময় কাটাতেই হাতে তুলে নেওয়া মোর্গ মাসাল্লাম কিংবা চেলো কাবাব। তার সঙ্গেই মেন কোর্সে বিরিয়ানি এবং চিকেন চাপ। পিলে চমকাবেন না এখানে সবটাই মধ্যবিত্তের নাগালের মধ্যেই । উত্তর কলকাতার বনেদিয়ানায় মোঘলাইয়ের সঙ্গে এবার চাউমিন হাক্কা আর চপসি । শেষ পাতে ডেজার্ট কিংবা মক টেল ত রয়েছেই । সব কিছু নিয়ে ছাদে বসে পড়ুন না।

মৃদুমন্দ বাতাস , নিয়ন আলো আর হাল্কা ভেসে আসা মিউজিক । এক মোহময়ী পরিবেশে নিশ্চিন্তে সপরিবারে রাতের খাবার খেয়ে নিন। আর ছাদ যদি পছন্দ না হয় তাহলে রয়েছে বিলাসবহুল এসি রুমও । সব মিলিয়ে বসার ব্যবস্থা দেড়শো জনের। ব্যবস্থার কথা বলতে গিয়ে নামটাই তো বলা হয়নি। ওটা আরসান যেখানে পাবেন মোঘলাই আর তন্দুর ,মানে ভারতীয় খাবার।

আর চাইনিজে ফ্যাশিনেশন যাদের তাদের জন্য ওক কিং। আরশান এবং ওক কিং কাদের মস্তিষ্কপ্রসূত? আসুন পরিচয় করিয়ে দিই খাদ্য রসিক এক দম্পতির সঙ্গে, শান বাওয়া এবং প্রিয়া বাওয়া । শান বিসনেজ গ্র্যাজুয়েট এবং অ্যান্ত্রেপ্রেনিয়র। মাত্র ১৯ বছর বয়সে পারিবারিক ব্যবসার দায়িত্ব নিয়ে সফল ভাবেই এগিয়ে চলছিলেন। কিন্তু খাবারের প্রতি তাঁর ভালোবাসা নতুন একটা রেস্তোঁরা খোলার চিন্তা করছিলেন। যেটা হবে শুধু নিজের। তখনই পাশে পেয়ে গেলেন স্ত্রী প্রিয়দর্শিনী। বিজনেজ ও মার্কেটিং পোস্ট গ্র্যাজুয়েট প্রিয়দর্শিনী প্রাইসওয়াটার হাউস কুপার্সে কাজ করার পর পারিবারিক ব্যবসার দায়িত্ব নেয়। সিক্যুইরিটি সার্ভিস এজেন্সির দায়িত্বে সামলাতে থাকা প্রিয়া খাদ্যরসিক না হলে ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের খাবারের স্বাদ গ্রহণ আর নিজে হাতে রান্না করার শখ বরাবরের। ব্যাস যেমন ভাবনা তেমন কাজ ।

প্রিয়া ,শান যুগলবন্দীতে শুরু হল রুফটপ রেস্টুরেন্টের যাত্রা । দু’জন মিলে বিভিন্ন রেস্তোঁরা ঘুরে পর্যবেক্ষণ করতে শুরু করলেন সেইসব রেস্তোঁরার পরিবেশ কেমন? অতিথিদের কিভাবে আপ্যায়ন করা হয়? মেঝে থেকে ছাদ কেমন করে সাজানো? কেমনভাবে অ্যম্বিয়েন্স তৈরি করা হয় ? কি ধরনের মিউজিক ভেসে আসছে। ইত্যাদি ইত্যাদি। তার সঙ্গে কড়া নজর থাকত খাবারের দিকেও। আর এই পর্যবেক্ষনের পরিণতি বাস্তবে রূপ নিল আরসান আর ওক কিং-এর। এই পর্যবেক্ষন চলেছে দীর্ঘ ছয় মাস ধরে ।

আর তারপরেই গতবছর পুজোর প্রাক্কালে শান প্রিয়ার স্বপ্নের প্রোজেক্ট আরসান আর ওক কিং স্টার থিয়েটারের ওপরে ।আর বাড়ি বসে আপনি স্বাদ নিতে চান আরসান আর ওক কিং –এর? খুব সহজ। জোমাটোয় অনলাইনে অর্ডার করুন ।

Add to
Shares
0
Comments
Share This
Add to
Shares
0
Comments
Share
Report an issue
Authors

Related Tags