সংস্করণ
Bangla

প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ বদলে দেবে গেমচেঞ্জার

YS Bengali
20th Dec 2015
Add to
Shares
0
Comments
Share This
Add to
Shares
0
Comments
Share

যা তুমি চাও... তা তোমার ভেতরেই রয়েছে... শুরু করে দাও...

পিটার ফিস্কের এই কথাটি জীবনের সাফল্যের মুলচাবিকাঠি। আর এই কথাটিই নানা ভাবে নানা উদাহরণ টেনে নিজের সদ্য প্রকাশিত বইতে জানিয়েছেন পিটার। বইটির নাম 'গেমচেঞ্জারঃ আর ইউ রেডি টু চেঞ্জ দ্য ওয়ার্ল্ড?'

জীবনের প্রত্যেকটি মুহূর্তই একটা পরিবর্তন এনে দেয়। যার সঙ্গে আসতে পারে নতুন ধরনের আবিষ্কারও, তা মানসিক, শারীরিক বা সার্বিক কিংবা সাময়িকও হতে পারে। যারা নতুন কিছু নিয়ে চিন্তাভাবনা করেন, তাঁরা সবসময় চেষ্টা করেন লাভজনক কিছু করার, যা সমগ্র প্রতিষ্ঠানে একটা পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে। এঁরাই হলেন 'গেমচেঞ্জার', যাঁরা যে কোনও পরিস্থিতিতে যে কোনও জায়গার পরিবর্তন চান। পিটার আগেও প্রতিষ্ঠানের উন্নতির নানা দিক নিয়ে বই লিখেছেন, কিন্তু তাঁর এই ভাবনাটি একেবারে নতুন। তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য বইগুলি হল 'ক্রিয়েটিভ জিনিয়াস', 'কাস্টমার জিনিয়াস', 'পিপল, প্ল্যানেট, প্রফিট'।


image


৩০৬ পাতার এই বইটি অনলাইনেও পড়তে পারা যাচ্ছে। যেখানে ১০০টি লাভজনক কোম্পানির উদাহরণ টেনে এনে তাঁদের লাভের কারণগুলি দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে এই সব কোম্পানিগুলি কী ভাবে নিজেদের মধ্যে পরিবর্তন এনে সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছেছে, তারও বিবরণ রয়েছে... অর্থাৎ এখানেও 'গেমচেঞ্জার' কারা... তাঁর বিবরণ দেওয়া হয়েছে। গুগুল, অ্যামাজন, অ্যাপল বাদ দিয়েও এশিয়া, আফ্রিকা এবং ইউরোপের কোম্পানিগুলি রেডবাস, আলিবাবা, এয়ার এশিয়া, রাকুতেন, জিডিশা এবং জুয়ান ভালদেজ কফি'র সাফল্য নিয়ে বিশ্লেষণ রয়েছে।

লেখকের মতে, আবিষ্কারক এবং গেমচেঞ্জারের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। গেমচেঞ্জাররা সবসময় কিছু বড়সড় পরিবর্তনের কথা চিন্তা করেন। যা ক্ষেত্রবিশেষে ঝড় তুলতে পারে। এঁদের চিন্তাভাবনাই হয় অন্যরকম, কারণ তাঁরা জানেন তাঁরা যা কিছুই করবেন জেতার জন্য করবেন। গেমচেঞ্জাররা রয়েছেন তিন রকমেরঃ 'মার্কেট মেকারস', 'বিজনেস ইনোভেটার', 'ব্র্যান্ড বিল্ডারস'। নিচে যে টেবিলটা দেওয়া হল, তা দশটি পদ্ধতির কথা বলে, যা 'গেমচেঞ্জাররা' মেনে চলে...


image


ব্যবসার মডেলকে নানা ভাবে প্রভাবিত করে গেমচেঞ্জাররা। ম্যানুফ্যাকচার, চ্যানেল, ক্রাউড, পেমেন্ট, এক্সচেঞ্জ কিংবা অ্যাসেট সরবত্রই তাঁর ছাপ থাকে স্পষ্ট। প্রত্যেকটা ব্যাপার থেকে তাঁরা নতুন কিছু শিখতে চায়। যা শেখা হয়নি, সেটাকে আরও ভালো করে উপলব্ধি করার চেষ্টা করে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে গেমচেঞ্জারদের কাজের আরও একটি তালিকা দেওয়া হল,


image


বর্তমানে গেমচেঞ্জাররা এসএমএসি ট্রেন্ড অনুসরণ করে। যার মধ্যে বিভিন্ন ডিজাইন অনুসরণ করে, ক্রেতাদের সঙ্গে একটা সম্পর্ক তৈরি করা হয়। যে কোনও পরিবর্তন আনতে গেলে চারটে শব্দের ওপর জোর দেন ফিস্ক--- কেন, কে, কী, কেমন করে। এই চারটি শব্দের ওপর ভিত্তি করেই যে কোনও গেমচেঞ্জার হয়ে ওঠেন সৃজনশীল, কিছু জানার জন্য উৎসুক এবং পরস্পরের জন্য সম্পর্কযুক্ত।


লেখক-মদনমোহন রাও

অনুলেখক-চন্দ্রশেখর চ্যাটার্জী

Add to
Shares
0
Comments
Share This
Add to
Shares
0
Comments
Share
Report an issue
Authors

Related Tags